নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি: বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি ও পার্শ্ববর্তী রামুর আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন আরো ৬ জন করোনা রোগী। এদের মধ্যে রামুতে ২ জন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাড়ে ৭ টায় বাড়ি ফিরেছেন।
নাইক্ষ্যংছড়ির মহিলা রোগী হাবিবাসহ বাকিরা ফিরেছেন, ৮ এপ্রিল (শুক্রবার) সকালে। হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্সে করে তাদের বাড়ি পৌঁছে দেয়া হয়। মুলত রিপোর্ট আসতে বিলম্ব হওয়াতে ছাড়পত্র পাওয়া সবাইকে একই দিনে বাড়ি পৌছানো সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন দু, হাসপাতাল কতৃপক্ষ। এই পর্যন্ত রামুর আইসোলেশন ইউনিট থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন সব মিলে ৯ জন। আর নাইক্ষ্যংছড়ি হাসপাতাল থেকে দুজন। বিষয়টি নিশ্চত করেছেন, রামু- নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নোবেল কুমার বড়ুয়া যতাক্রমে, এজেড সেলিম।
জানা যায়, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাব থেকে রামুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের রিপোর্ট পাওয়ার পর যাদের রেজাল্ট নেগেটিভ পাওয়া গেছে তাদের নিয়মতান্ত্রিক ভাবে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। রামুতে ছাড়পত্র প্রাপ্তরা হলেন,উখিয়া উপজেলার রত্নাপালং ইউনিয়নের হাজি পাড়ার বানু বিবি,টেকনাফ উপজেলার বাহারছরা ইউনিয়নের মারিশবনিয়া গ্রামের আম ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হোছাইন,কক্সবাজার পৌরসভার টেকপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রোড়ের বাসিন্দা আবুল কালাম, কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের গাছুয়া পাড়ার বাসিন্দা সালেহ আহামদ,মহেশখালী উপজেলার কালারমার ছরা ইউনিয়নের বাহাদুর আলম। আর নাইক্ষ্যংছড়িতে, ছাড় পাওয়া রোগী, সদর ইউনিয়ের কম্বনিয়া এলাকার জান্নাতুল হাবিবা। এর আগে, রামুতে ৬ এপ্রিল ছাড়পত্র পেয়েছিলো আরো ৪ জন। এই নিয়ে রামু উপজেলা আইসোলেশন ইউনিট থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৯ জন।
বর্তমানে রামুর আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসাধীন আছেন ১৭ জন। এরা সকলেই ভালো আছেন এবং তাদের উপসর্গ ভিত্তিক চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল কতৃপক্ষ। ছাড়পত্র প্রাপ্তদের হাসপাতাল ত্যাগের পূর্বে প্রত্যেককে ঔষধ পত্রের সাথে একটি নির্দেশিকাও প্রদান করা হয়েছে। তারা বাসায় ফিরে ১৪ দিন কোয়ারান্টাইনে থাকবেন এবং স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলবেন। সকলকে স্ব স্ব উপজেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তাগন তদারকিতে রখবেন বলেও জানিয়েছেন- কর্তৃপক্ষ।








