মো: মহিন উদ্দীন: চট্টগ্রামে কাঁচা পণ্যের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার রিয়াজউদ্দীন বাজার। এ বাজারে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ট্রাকে করে নিয়ে আসা সবজিগুলো নষ্ট না হওয়ার জন্য আগাছার পাতা কিংবা কলার পাতা দিয়ে ঢেকে আনা কাঁচা পণ্যসমুহ নামানোর সময় শ্রমিকরা তা রাস্তায় ফেলে দেয়। এরপরে সে সব আবর্জনা গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে রাস্তায় ছিটিয়ে ছড়িয়ে থাকে। যার কারণে এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এমন অভিযোগ ক্রেতা সাধারণের।

একাধিক খুচরা সবজি বিক্রেতা সিপ্লাসকে বলেন, রাস্তায় পঁচা সবজি ও ট্রাকে করে সবজি আনার সময় বিভিন্ন গাছের পাতাগুলো ফেলানো হয়। তা গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং চলাচল করতে সমস্যা হয়। মাঝে মধ্যে পরিষ্কার করলেও অনেক সময় করে না।
চট্টগ্রাম শহরের ব্যস্ততম পাইকারী বাজার হল রিয়াজউদ্দীন বাজার। এখানে সবধরনের জিনিসপত্রই পাইকারী ও খুচরা মূল্যে পাওয়া যায়। এখানে রয়েছে দুই শতাধিক মার্কেটে ১০ হাজারেরও বেশি দোকান। আড়াইশ ছোট-বড় সবজির আড়ত রয়েছে এখানে।
উত্তরে এনায়েত বাজার, দক্ষিণে স্টেশন রোড, পূর্বে জুবিলী রোড এবং পশ্চিমে বিআরটিসি বাস স্ট্যান্ড-এর সীমানা ঘেঁষেই বিশাল এলাকা নিয়েই রিয়াজউদ্দীন বাজার।
রিয়াজউদ্দীন বাজার আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফারুক শিবলী সিপ্লাসকে বলেন, বাজারের মুরগীহাট থেকে আমরা যারা আড়তদার সমিতিতে আছি তাদের নিজস্ব অর্থায়নে শ্রমিক দিয়ে রাস্তার উপর পড়ে থাকা আবর্জনাগুলো অপসারণ করি।
কিন্তু এখানে এসব দেখাশোনার দায়িত্বে ইজারাদার রয়েছে। এসব কাজ ইজারাদারদের। আমতল থেকে কাঁচা বাজারের মুরগী হাট পর্যন্ত ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করার কথা থাকলেও তা ইজারাদাররা ঠিকমত করেন না বলে অভিযোগ করেন আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফারুক শিবলী ।
এজন্য রাস্তায় সব সময় ময়লা আবর্জনার স্তুপ জমে থাকে ফলে পথচারীরা স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারেন না।
এ সব অভিযোগ সম্পর্কে জানার জন্য ইজারাদার আবু আহাম্মেদ এর কাছে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম সিপ্লাসকে বলেন, রিয়াজউদ্দীন বাজারে ইজারাদার রয়েছে। বাজারে ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব ইজারাদারের। কাঁচা বাজার প্রতিদিন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা ইজারাদারের দায়িত্ব বলে তিনি সিপ্লাসকে জানান।
চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদুল আলমের কাছে এ বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি।








