Site icon CPLUSBD.COM

রেশনিং-সমন্বিত ত্রাণ ও স্বাস্থ্য সেবায় রিয়াজ হায়দার চৌধুরীর নাগরিক প্রস্তাবনা

সিপ্লাস ডেস্ক: লুটেরা, দুর্নীতিবাজ, দুর্বৃত্তদের প্রতিরোধ ও সরকারের কাজের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে সহায়তার আহ্বান চট্টগ্রাম নাগরিক উদ্যোগ সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরীর রেশনিং চালুসহ সমন্বিত ত্রাণ ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনা চেয়ে নাগরিক প্রস্তাবনা দিয়েছেন চট্টগ্রাম নাগরিক উদ্যোগ সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী।
সরকারের সামাজিক সুরক্ষা প্রক্রিয়ার আওতায় ৫০ লক্ষ মানুষের রেশন কার্ড এর বাইরে আরো ৫০ লক্ষ মানুষকে রেশনিং সুবিধা দেওয়ার প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে পেশাজীবী নাগরিক সংগঠক রিয়াজ হায়দার চৌধুরী বলেছেন, সমন্বিত একটি ‘রেশন বোর্ড’ গঠন, স্বাস্থ্যবিমা চালু, স্বাস্থ্যসেবা খাতে ‘অভিযোগ বক্স’ চালু, অভিযোগের শাস্তি মূলক ব্যবস্থা দ্রুত নিশ্চিতকরা প্রয়োজন। করোনা যুদ্ধে বৈশ্বিক অর্থনীতির নেতিবাচক প্রভাব কাটাতে বাংলাদেশের নিঃস্ব হতদরিদ্র মানুষকে ত্রাণ সহায়তার পাশাপাশি নিম্নবিত্ত, নিম্ন-মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষের স্বাচ্ছন্দ সংকট কাটাতে রেশনিং চালু করা প্রয়োজন । সমন্বিত ত্রাণ ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনায় সশস্ত্রবাহিনী, জুডিশিয়াল মেজিস্ট্রেট, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পেশাজীবী নাগরিক সংগঠক, মসজিদ মন্দির গির্জা প্যাগোডার প্রতিনিধি বা ধর্মীয় প্রতিনিধি, শ্রমিক প্রতিনিধি, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, পুলিশ ও স্থানীয় সরকার প্রশাসনের প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করার জন্য এই নাগরিক প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
পেশাজীবী নাগরিক সংগঠক ও সাংবাদিক নেতা রিয়াজ হায়দার চৌধুরী এরইমধ্যে পৃথক পৃথক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করে সংশ্লিষ্টদের যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার জন্য নাগরিক প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। এই প্রস্তাবনা ব্যাপক জনসমর্থন পায়, যা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরালও হয়। উল্লেখ্য, সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী এর আগে অপর একাধিক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাতির উদ্দেশ্যে প্রদত্ত ভাষণে জাতীয় সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের আহবান যথার্ত করে তুলতে ত্রাণ তৎপরতায় সারাদেশে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের মাঠে নামনোর প্রস্তাবনাও দিয়েছেন রিয়াজ । স্বাস্থ্য খাতে চরম নৈরাজ্য, সাধারণ মানুষের চিকিৎসা অপ্রাপ্তি ও এই সংকট থেকে মুক্তি সহ করোনাময় সময়ে নানা সমস্যা নিয়ে নাগরিক প্রস্তাবনা তুলে ধরেন এই সংগঠক। স্বাস্থ্যখাতে অরাজকতা রোধ ও সেক্টরটিতে মাফিয়া চক্রের অপতৎপরতা ঠেকিয়ে দিতে পুরোপুরি রাষ্ট্রায়ত্তকরণ, প্রয়োজনে সেনা তত্ত্বাবধানে পরিচালনার নাগরিক প্রস্তাবনাও দেন। রিয়াজ হায়দার চৌধুরী বর্তমানে সাংবাদিকদের জাতীয় সর্বোচ্চ সংগঠন বিএফইউজে-বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম নাগরিক উদ্যোগের সভাপতি ।
এর আগে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি , সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দফায় দফায় নির্বাচিত হন। এছাড়া তিনি পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য। গণমাধ্যমে, একাধারে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কাজ করা সিনিয়র সাংবাদিক, নাগরিক সংগঠক রিয়াজ হায়দার চৌধুরী অন্তত দুই দশক ধরে মাঠে ব্যাপক সক্রীয়।
বাংলাদেশের অন্যতম সক্রিয় এই পেশাজীবী মানুষের অধিকার, মর্যাদা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও মানবাধিকার নিয়ে কাজ করেছেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতেও সজাগ সক্রীয় তিনি। শ্রমিক শ্রেণীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত উচ্চকণ্ঠ এই সংগঠক সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সাথেও নানাভাবে জড়িত। উন্নয়ন আন্দোলন ও নানা সামাজিক-নাগরিক সংকটে মাঠে থেকে কাজ করেছেন। বৈশ্বিক মহামারী করোনায় চিকিৎসা,খাদ্য নিরাপত্তা সহ মানুষের ন্যায্যতা ও সাম্যতা নিয়ে সোচ্চার এই মুক্তিযোদ্ধার সন্তান।
চট্টগ্রামের মানুষের প্রতি বৈষম্যের প্রতিবাদেও উচ্চকণ্ঠ এবং মানুষের সাম্যতা ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠায় সক্রিয়। বাণিজ্যিক রাজধানী খ্যাত চট্টগ্রামকে প্রকৃতই ‘বাণিজ্যিক রাজধানী’ করার লক্ষ্যেও দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছেন।