তবে হাসপাতালের ব্যবস্থাপক নুরুল আমিন ওই রোগী নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত বলে দাবি করেন।
তিনি বলেন, গত ১৯ মার্চ নিউমোনিয়া রোগী নিয়ে একজন ভর্তি হন। রাত সাড়ে ৩টার দিকে মারা যান। ওই রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া চিকিৎসক নিজ থেকেই হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন।
আইসিইউ বন্ধ রয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আইসিইউ বন্ধ করা হয়নি। জীবাণুমুক্ত করার জন্য কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ রেখেছি। মঙ্গলবার থেকে আবার চালু করা হবে।
এদিকে, ওই নারীর স্বামী বলেন, আমার স্ত্রী আগে থেকে শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। উনার কেস হিস্ট্রি দেখে তাকে ওই হাসপাতালে ভর্তি নিয়েছে। প্রথমে ভর্তি করাতে চায়নি। হাসপাতালে ঢোকার আগেই গেটে জিজ্ঞেস করে ওই (করোনা) ধরনের কোনো লক্ষণ আছে কিনা।
তিনি বলেন, ঘটনার পর সিটি করপোরেশন থেকে একজন ফোন দিয়ে বিষয়টির খোঁজখবর নেন। পরে আমাদের ১৪ দিনের জন্য হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার পরামর্শ দেন। আমরাও তাই পালন করছি।
রয়েল হাসপাতাল প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক ডা. লিয়াকত আলী খান বলেন, কয়েকদিন আগে একজন রোগীর মৃত্যুর খবর শুনেছি। সন্দেহ করা হচ্ছে আসলে এটি করোনা ছিল কিনা। কিন্তু পরীক্ষা ছাড়া বলা কঠিন। তারপরও সতর্কতা হিসাবে ওখানে যারা ছিল তারা পর্যবেক্ষণে আছে।

