নিউজটি শেয়ার করুন

লকডাউনেও সীতাকুণ্ডে বেসরকারী কলকারখানা চালু, জনমনে তীব্র ক্ষোভ

কামরুল ইসলাম দুলু, সীতাকুন্ড: দেশে চলমান করোনাভাইরাসের সংক্রমের কারণে সীতাকুণ্ডেও বন্ধ রয়েছে সরকারী কলকারখানা, অফিস-আদালত। সীতাকুণ্ড উপজেলায় ছোট-বড় মিলে রয়েছে প্রায় শতাধিক বেসরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। যেখানে রয়েছে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান। বর্তমানে করোনাভাইরাসের প্রর্দূভাবের কারণে সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকলেও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো রয়েছে চালু। করোনা সংক্রামনের কারণে সরকারী সিদ্ধান্তে মহাসড়কে গণপরিবহণ বন্ধ রয়েছে।

অথচ উপজেলার বিভিন্নস্থানে চালু থাকা প্রাইভেট শিল্প কারখানাগুলোতে শ্রমিকদের যাতায়াতের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। একদিকে সবাইকে ঘরে থাকার কথা বলে বেসরকারী কলকারখানাগুলো খোলা রেখে মানুষজনকে বাহির বের হতে হচ্ছে কর্মস্থলে যোগ দিতে। সীতাকুণ্ড উপজেলার বড় বড় বেশ কয়েকটি প্রতিষ্টানে অনেক বিদেশীও কর্মরত রয়েছে। যার ফলে এখনাকার শ্রমিক-কর্মচারীরাও এসব বিদেশীদের সাথে থেকে কাজ করতে হচ্ছে।

কলকারখানার পাশাপাশি অনেক শিপব্রেকিং ইয়ার্ডও লকডাউনের সময়ে চালু রয়েছে। এদিকে করোনাভাইরাসের সংক্রম থেকে বাচঁতে সরকার সবাইকে যার যার ঘরে থাকার কথা বলে অন্যদিকে উপজেলায় শতাধিক কারখানা খোলা রাখায় জনমনে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্নভাবে এর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে।

এদিকে সীতাকুণ্ডে একজন করোনা আক্রান্ত শনাক্তের পর পুরো উপজেলা জুড়ে সবার মাঝে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেকই প্রশাসনের কাছে দাবী জানাচ্ছে এখনই উপজেলার যেসকল কলকারখানা ও শিপব্রেকিং ইয়ার্ড চালু আছে তা বন্ধ করতে।

এই দূর্যোগকালীন সময়ে সরকারী সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে অথচ বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো চালু রেখেছে এতে করে বিভিন্ন কারখানায় কর্মস্থলে যেতে শ্রমিকদেরকে বের হতে হচ্ছে বাহিরে আর এতে করে সামাজিক দুরত্ব কমানো সম্ভব হচ্ছেনা। এঅবস্থায় করোনা ভাইরাস ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার আশংঙ্কা করছেন অনেকেই।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিল্টন রায় বলেন, সরকারীভাবে বেসরকারী প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা কোন নির্দেশ দেওয়া হয়নি। যদি নিজেদের সুরক্ষায় মালিকপক্ষ কারখানা বন্ধ রাখে তাতে প্রশাসন থেকে সহযোগীতা দেওয়া হবে।