নিউজটি শেয়ার করুন

লকডাউনে উদ্বেগ-উৎকন্ঠা বাড়লেও ট্রাফিক পুলিশে স্বস্তি

মো: মহিন উদ্দীন: করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার ঘোষিত কঠোর লডকাউনে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে রাস্তাঘাট অনেকটাই ফাঁকা। যার ফলে স্বস্তি ও খোশ মেজাজে দিন কাটাচ্ছে নগরীর ট্রাফিক পুলিশ।

তবে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার বেড়ে যাওয়া উদ্বেগ উৎকণ্টা দেখা দিয়েছে জনমনে। মোড়ে মোড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি ও চেকপোস্ট দেখা গেছে। স্বাস্থ্যবিধি না-মানায় মামলা ও জরিমানাও করা হচ্ছে।

নগরীর বিভিন্ন এলাকার সড়কে দিনভরই রিকশা ও সাইকেল এবং ব্যক্তিগত গাড়ি। তবে কোনো গণপরিবহণ নেই। নগরীর নতুন ব্রিজ, বহদ্দারহাট, মুরাদপুর, চকবাজার, জামালখান, আন্দরকিল্লা, এনায়েতবাজার, কাজীর দেউড়ি, আগ্রাবাদ, বারেকবিল্ডিং, কাস্টম মোড়, সল্টগোলা ক্রসিং, ইপিজেডসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রায় একই চিত্র দেখা গেছে।

কিন্তু কঠোর লকডাউনের আগে এসব এলাকায় যানজটের মাত্রা তীব্র আকার ধারণ করে। এসময় ট্রাফিক পুলিশকে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়। প্রতিদিন চট্টগ্রামের রাস্তাগুলো নিয়ন্ত্রণ ট্রাফিক পুলিশের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়ে। করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারের ঘোষিত লকডাউন কিংবা কঠোর লকডাউনের কারণে অনেকটাই স্বস্থিতে ফিরেছে ট্রাফিক বিভাগে। 

সুমন, শরীফ ও জুয়েলসহ অনেকেই সিপ্লাসকে বলেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারের ঘোষিত লকডাউনে সড়কে অনেকটা স্বস্থি বিরাজ করছে। কারণ লকডাউনের আগে নগরীর যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশকে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। কিন্তু এখন সে বিড়ম্বনা না থাকায় ট্রাফিক পুুলিশ অনেক অলস সময় অতিক্রম করছে।

অক্সিজেন, ২নং গেইট, জিইসি মোড়ে এবং ওয়াসার মোড়ে দায়িত্বরত কয়েকজন ট্রাফিক পুলিশ জানান, লকডাউনে যানজট না থাকলেও সরকারি দায়িত্ব পালন তো অবশ্যই করতে হচ্ছে। করোনা সংক্রমণ রোধে সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মানাতে কাজ করতে হচ্ছে। তবে হাপিয়ে উঠার মতো পরিস্থিতি এখন নেই।

চট্টগ্রাম ট্রাফিক উত্তর বিভাগের এডিসি মো: রাশেদুল ইসলাম সিপ্লাসকে বলেন, কঠোর লকডাউনের কারণে জরুরি অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহের কর্মচারী ও যানবাহন প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে যাতায়াত করতে পারবে। এরবাইরে আর কোন গাড়ি কিংবা মানুষ বের হওয়ার সুযোগ নেই। তাই নগরীর অধিকাংশ এলাকা এখন যানজট মুক্ত। তবে যানজট থাকলেও যে দায়িত্ব না থাকলেও সে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কঠোর লকডাউনের মধ্যেও অনেক গাড়ি আটক এবং মামলা দেয়া হচ্ছে।