সিপ্লাস প্রতিবেদক: সাতকানিয়ায় পারিবারিক কলহের জের ধৱে তাৱ শাশুড়ি রোকেয়া বেগমকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন বলে ১৬৪ ধারা জবানবন্দিতে হত্যাৱ দায় স্বীকাৱ কৱেন নাছমিন আক্তার নামে এক গহবধু।
শনিবাৱ (৩ জুলাই) দুপুৱ ৩ টায় চট্টগ্রামের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতেৱ ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার কৌশিক আহমেদের কাছ তিনি এই হত্যার দায় স্বীকারপূর্বক স্বীকারোক্তিমূলক এ জবানবন্দি দেন।
আদালত সুত্রে জানা যায়, ‘শাশুড়ি হত্যাকাণ্ডে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার নাছমিন আক্তারকেৱ বিরুদ্ধে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত গত ২৯ জুন তিনদিনের রিমান্ডে মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে শনিবার তাকে আদালতে তোলা হলে তিনি হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।’
জানা গেছে, চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার খাগরিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা রোকেয়া বেগম ও তার পুত্রবধূ নাছমিন আক্তারের মধ্যে পারিবারিক নানা বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। একপর্যায়ে গত ২১ জুন সন্ধ্যায় শাশুড়িকে পরিবারিক কলহের জের ধরে পরিকল্পিতভাবে পরিবারের অন্যান্য সদস্যর অজান্তে ভিকটিমের শয়ন কক্ষে ঢুকে হত্যা করার উদ্দেশ্য ধারালো ছুরি দিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এতে ভিকটিম(শাশুড়ি) আত্মরক্ষার চেষ্টা করলে তখন তার গলায় গামচা প্যাছিয়ে শ্বাসরোদ্ধ করে মাটিয়ে ফেলে মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য পেটে হাতে আবারও ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে পুত্রবধু নাছমিন আক্তার।
এরপর তিনি পালিয়ে যাওয়ার পথে স্থানীয়রা আটক করে তাকে পুলিশে সোপর্দ করে। পরে নিহতেৱ স্বামী ইলিয়াস চৌধুরী বাদী হয়ে ঐদিন সংশ্লিষ্ট ধারায় সাতকানিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। গত ২২ জুন আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছিল। ঐদিন নিহত রোকিয়া বেগমকে প্রথমে আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল হস্তান্তর করা হয়।
পরবর্তীতে গত ২৪ জুন চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত পুত্রবধু নাছমিন আক্তার (২৩) চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া থানার ৯ নং ওয়ার্ডের রাজানগর সাকিনের কবির আহমদের মেয়ে। আসামী নাছমিন আক্তার নিহত রোকেয়া বেগমের ছেলে গিয়াস উদ্দিনের স্ত্রী। আর এই হত্যাৱ ঘটনাটি ঘটেছিল চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া থানাধীন মৈশামুড়া সাকিনের ৯ নং ওয়ার্ডের মুন্দার পাড়া এলাকায়।

