Site icon CPLUSBD.COM

শুকমনিয়াতে সরকারী পাহাড় কেটে বসতঘর!

রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের শুকমনিয়া নতুন মসজিদ সংলগ্ন মুরা পাড়া এলাকার আবুল হাসেমের ছেলে, আমির হোসেন প্রতিনিয়ত ৫/৬ জন শ্রমিক দিয়ে সরকারী বনবিভাগের বিশাল পাহাড় ও সামাজিক বনায়নের গাছ কেটে বসতঘর নির্মান করেছে।

সংশ্লিষ্ট বনবিভাগ ও প্রশাসনিক নজরদারি না থাকায় স্থানীয় ভূমিদূস্যু আমির হোসেন, মোঃ নরুল্লাহ, সোনামিয়া সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে সরকারি এ পাহাড়ের মাটি কেটে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসতঘর তৈরি করেছে। এ ছাড়া ওই এলাকায় বেশ কয়েক বছর ধরে শতাধিক পরিবার পাহাড়ের ঝুঁকিপূর্ণ ঢালে বসতঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছে। এতে প্রবল বর্ষণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে পাহাড় ধসে প্রাণহানির আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা।

সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে আমির হোসেন ও ধূসররা বেলাল সিন্ডিকেট সরকারী পাহাড়ের মাটি কেটে, বিক্রি করে আসছে। সরকারি বন বিভাগের পাহাড়ের ঢালের মাটি কেটে সমান করে প্লাষ্টিক দিয়ে তৈরি করছে দখলঘর।

তার প্রতিবেশী নাজির হোসেন জানান, এর আগেও ওই আমির হোসেন পাহাড় কেটে, আরেকটি বড় টিনের ঘর নির্মান করেছিল। এলাকার সচেতন জানান, আইনত কোনো ভিত্তি না থাকলেও সরকারি বনবিভাগের ওইসব পাহাড়ের জায়গাতে ওই আমির হোসেন সেন্ডিকেট বনবিভাগের কতিপয় অসাধু লোকদের ম্যানেজ করে আরেকটি মুরগির খামার ঘর নির্মান করেছে। প্রশাসনিক তদারকি না থাকায় জ্যামিতিক হারে অবৈধভাবে পাহাড়ের ওপর ও ঢালে বসতি স্থাপন অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখিত এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে পাহাড়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করতে দেখা গেছে বেশ কয়েকটি পরিবারকে। কথা হয় পাহাড় খেকু আমির হোসেনের সঙ্গে।

তিনি পাহাড় কাটার বিষয় স্বীকার করে বলেন, ‘ এলাকার সবার মত সেও পাহাড় কেটেছে। তবে সে বেশি পাহাড় কেটে নাই বলে জানান।

এক প্রশ্নের জবাবে আমির হোসেন আরো জানান, সামনে বনবিভাগের লোকদের সাথে কথা বলে আরো ঘর নির্মান করা হবে। বনবিভাগের লোকদের কিভাবে ম্যানেজ করেন? জানতে চাইলে, তিনি বলেন যেকোন কিছুর বিনিময়ে তাদের ম্যানেজ করেন।’

এ বিষয়ে জানতে কচ্ছপিয়া বিট কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের মোবাইল ফোনে বার বার ফোন করেও সে ফোন রিসিভ করেননি।পরে বাকঁখালীর আলোচিত রেঞ্জ কর্মকর্তা আতাইলাহী জানান, ‘ তিনি অভিযান পরিচালনা করে ওইসব অবৈধ ঘর গুড়িয়ে দিবেন।’