অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদ ছিলেন শুভ্র বিবেকের শুদ্ধতম পুরুষ। জীবনের প্রতিটি স্তরে সাধারণ জীবনযাপন করে অসাধারণ মানুষে পরিণত হয়েছিলেন। রাজনীতি ,পরিবার,সমাজ এবং পেশাগত দায়িত্বে এক সাদা মনের পরিপূর্ণ মানুষ তিনি। এরকম সর্বগুণে গুনান্বিত মানুষের জীবনী নিয়ে গবেষণা করা গেলে নতুন প্রজন্মের একটি আদর্শ জীবন গড়ার অনুপ্রেরণা সৃষ্টি হবে।
মঙ্গলবার (২৪ডিসেম্বর) বরেণ্য বুদ্ধিজীবী ও স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদের ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নগরীর পাঁচলাইশে রিডার্স স্কুল এন্ড কলেজ আয়োজিত স্মরণসভায় বক্তারা একথা বলেন।
প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মঈনুদ্দীন কাদের লাভলুর সভাপতিত্বে স্মরণসভার আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন- চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সহসভাপতি মোহাম্মদ আলী, লেখক-কলামিস্ট মুসলেহউদ্দিন মুহম্মদ বদরুল, দেশ টিভির বিভাগীয় প্রধান আলমগীর সবুজ, সিপ্লাস টিভির চিফ রিপোর্টার খোরশেদুল আলম শামীম, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির কেন্দ্রীয় সচিব শওকত বাঙালি, অধ্যক্ষ মোস্তফা রেজাউল মনির, লায়ন শফিকুর রহমান, মোহাম্মদ জাবেরউদ্দিন প্রমুখ।
আলোচনাসভায় ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বক্তব্য রাখেন মরহুমের জ্যেষ্ঠ পুত্র সাপ্তাহিক স্লোগান সম্পাদক মোহাম্মদ জহির।
আলোচনায় আরো অংশ নেন- রিডার্স স্কুল এন্ড কলেজ কোঅর্ডিনেটর সাইফুল ইসলাম, সিনিয়র শিক্ষক জাহাঙ্গীর হোসেন, পুলক বড়ুয়া প্রমুখ।
বক্তারা বলেন , অধ্যাপক খালেদ ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী একজন সৎ, নির্লোভ এবং নিরহংকারী মানুষ। স্বাধীনতার চেতনায় বিশ্বাসী দেশপ্রেমিক এ মানুষের জীবনাদর্শ অনুসরণ করা আমাদের এখন খুবই প্রয়োজন। তার মানবিক গুণাবলীর কারণেই তিনি স্বীয় অবস্থানে পৌঁছাতে পেরেছেন। ভাষা আন্দোলনে তিনি ভাষা সৈনিকের কবিতা ছাপিয়ে যেমন অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন তেমনি মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবেও রেখেছেন আপন ভূমিকা। তার সততা ,দেশপ্রেম এবং অসাধারণ সব মানবীয় গুণাবলীর কারণে আজো তিনি প্রাতঃস্মরণীয় হয়ে আছেন মানুষের হৃদয়ে।

