সিপ্লাস প্রতিবেদক: শেষ হয়েছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিস-বিলস এর দুই দিনের “পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা মেলা”।
সোমবার(২১ডিসেম্বর) নগরীর জেএমসেন হলে আয়োজিত মেলার সমাপনি দিনে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, সরকার দেশের শ্রমজীবী জনগোষ্টীর পেশাগত স্বাস্থ্য ও কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা বিধান সহ দেশের প্রচলিত শ্রম আইন এবং শ্রমিক অধিকার নিশ্চিতকরণে বদ্ধ পরিকর। সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।
মালিক-কর্তৃপক্ষ ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনাকারীদেরও যথাযথ দায়িত্ব নিয়ে শ্রমিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।
খোরশেদ আলম সুজন এদেশের ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনের অতীতের গৌরবোজ্জ্বল ভুমিকার কথা স্মরণ করে তরুণ প্রজন্মকে ট্রেড ইউনিয়ন কর্মকান্ডে এগিয়ে আনতে প্রবীনদের প্রতি আহবান জানান।
তিনি আজ প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন।
অনলাইনে মেলাটির উদ্বোধন করেন বিলস-এর মহাসচিব শ্রমিক নেতা নজরুল ইসলাম খান, ভারতের নয়াদিল্লী থেকে অনলাইনে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিলস-সহযোগি ডিজিবি-বিডব্লিউ-র এশিয় কনসালটেন্ট ড. ইন্দিরা গার্টেনবার্গ।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ-বিলস-এলআরএসসি-র চেয়ারম্যান এ এম নাজিমউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাপনী অধিবেশনসহ ও মেলার বিভিন্ন কর্ম-অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন বিলস এলআরএসসি-র পরিচালনা কমিটির সদস্য ও জেলা টিইউসি সভাপতি শ্রমিক নেতা তপন দত্ত, জাতীয় শ্রমিক লীগের শফি বাঙালী, বাংলাদেশ মুক্ত শ্রমিক ফেডারেশনের মো. নুরুল আবছার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের শেখ নুরুল্লাহ বাহার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক ও শ্রম-ইস্যুতে গবেষক ড. মুহাম্মদ শাহীন চৌধুরী, বিলস-এর সিনিয়র কর্মকর্তা পাহাড়ী ভট্টাচার্য ও রিজওয়ানুর রহমান খান, এ্যসিসটেন্ট প্রোগ্রাম অফিসার ফজলুল করি মিন্টু, মহিলা শ্রমিক দল চট্টগ্রাম মহানগর সভানেত্রী শাহেনেওয়াজ চৌধুরী, শ্রমিকনেতা উজ্জ্বল বিশ্বাস, আব্দুর রহিম, তামান্না বিনতে আজাদ, এডভোকেট ইকবাল হোসেন, গোলজার বেগম, জুবিদুন্নাহার জুলি প্রমুখ।
মেলায় ২দিন ২টি বিষয়ভিত্তিক পৃথক ধারণাপত্র উপস্থাপন করা হয় এবং ট্রেড ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ উপস্থাপিত ধারণাপত্রসমূহের ওপর আলোচনায় অংশ নেন।
মেলায় ১৮টি সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, এনজিও, ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠন স্ব স্ব স্টলে শ্রমিকদের পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার ওপর নানা উপকরণ এবং প্রকাশনা প্রর্দশন করে এবং পেশাগত নিরাপত্তা চিত্র তুলে ধরে। মেলায় দূর্ঘটনা আক্রান্ত শ্রমিকেরা তাদের অভিজ্ঞতা বর্ননা করেন
এছাড়া সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়।








