বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে নিজের অংশগ্রহণকে ‘সবচেয়ে সস্তায় সরকারি সফর’ আখ্যায়িত করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান বলেন, তার সফরে স্পনসর করেছেন তার বন্ধু এবং ব্যবসায়ী ইকরাম শেঘাল ও ইমরান চৌধুরী।
এর আগে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে তার সফরের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, তার ওই সফরে এক লাখ ৬০ হাজার ডলার খরচ হয়েছে।
এর আগে একই সফরে সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারির খরচ হয়েছিল ১৪ লাখ ডলার। যেখানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের খরচ ছিল ১৩ লাখ ডলার। আর শহীদ কাখান আব্বাসির খরচ ছিল আট লাখ ডলার।
ইমরান খান বলেন, এর আগে মন্ত্রীদের ভোজ উৎসবে যেতে তিনি বাধা দিয়েছেন। যখনই তারা কোথাও যাওয়ার ইচ্ছার কথা বলেন, তখন সেই সফর দেশের জন্য ফলপ্রসূ কিছু বলে প্রমাণ না করার আগ পর্যন্ত তাতে আমি সায় দিই না।
এদিকে ইমরান খান বলেন, বিশ্ব আজ স্বীকার করে নিচ্ছে যে অধিকৃত কাশ্মীর ও ভারতে অগণতান্ত্রিক ও ফ্যাসিবাদী আদর্শ চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে।
ব্রিটেনের বিখ্যাত সাময়িকী ইকনোমিস্টের একটি প্রচ্ছদ ছবি দিয়ে টুইটারে তিনি বলেন, ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ফ্যাসিবাদী আদর্শই আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি।-খবর এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের
মোদির ফ্যাসিবাদের কারণে কাশ্মীরের ৮০ লাখ ও ভারতের মুসলমানরা ভোগান্তিতে রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন ইমরান খান।

