ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে কাকরাইলে নিয়ে তার অফিসে অভিযান চালাচ্ছে র্যাব।
রোববার (০৬ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লা থেকে গ্রেফতারের পর দুপুর দেড়টার পর র্যাব হেডকোয়ার্টার্স থেকে একটি দল গাড়িতে করে কাকরাইলে সম্রাটের অফিসে নিয়ে যায়। তাকে নিয়ে সেখানে অভিযান শুরু হয়। বর্তমানে অভিযান চলছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সম্রাটের অফিসের তালা ভাঙা হয়েছে। তাকে নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
এর আগে ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আলকরা ইউনিয়নের পুঞ্জশ্রীপুর গ্রাম থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহসভাপতি এনামুল হক আরমানকে আটক করা হয়। সেখানে মুনির চৌধুরী নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে সম্রাট লুকিয়েছিলেন বলে জানা গেছে। র্যাব সূত্র জানায়, সম্রাটের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং, ক্যাসিনো ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ততা, চাঁদাবাজির অভিযোগে একাধিক মামলা হবে। মতিঝিল বা রমনা থানায় এসব মামলা করা হবে। এরমধ্যে ক্যাসিনো ও চাঁদাবাজির মামলায় সম্রাটের ৭ থেকে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করা হবে।
এদিকে অসামাজিক কার্যকলাপ ও শৃঙ্খলাবিরোধী কাজে জড়িত থাকার অভিযোগ এনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন সম্রাট ও সহ সভাপতি আরমানকে বহিষ্কার করেছে যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি।








