সিপ্লাস প্রতিবেদক: সাংবাদিক গোলাম সারোয়ারকে অপহরণের মামলার অভিযোগের চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে কোতোয়ালী থানার পুলিশ।
আদালতে গত ৯ মে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতোয়ালী থানার এসআই ধর্মেন্দু দাশ৷
‘তদন্ত সমাপ্ত হয়েছে৷ সকল প্রাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণে মামলাটি তথ্যগত ভুল মর্মে প্রতীয়মান হওয়ায় আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।’ ২৮ অক্টোবর রাতে চট্টগ্রাম শহর থেকে গ্রামের বাড়ি চন্দনাইশ যাওয়ার সময় নগরের কাজির দেউড়ি এলাকা থেকে দুর্বৃত্তরা তাকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন চালায়।
এরপর গত বছরের ১ নভেম্বর রাত পৌনে ৮টার দিকে সীতাকুণ্ডের কুমিরা বাজারের খালের পাশে আহত অবস্থায় পাওয়া যায় সারোয়ারকে। তাকে উদ্ধারের পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তারপর গত বছর ৪ নভেম্বর অপহরণ করে নির্যাতন করার অভিযোগে কোতোয়ালী থানায় অজ্ঞাত ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন সাংবাদিক গোলাম সারোয়ার। তিনি সাপ্তাহিক আজকের সূর্যোদয়ের চট্টগ্রাম অফিসে কর্মরত এবং সিটিনিউজবিডি নামে একটি অনলাইন পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক।
গোলাম সারওয়ারের অভিযোগ, আসামি চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে তদন্ত কর্মকর্তাকে গুরুত্বপূর্ণ আলামত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজসহ অপহরণকারীদের সম্পর্কে সব ধরনের তথ্য দিলেও তদন্তকারী কর্মকর্তা রহস্যজনক কারণে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘অপহরণের পর ওরা আমাকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে দফায় দফায় পিটিয়েছে। আমার অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে কয়েকটি নিউজ করেছিলাম। এরপর আমার মোবাইলে কয়েকবার অজ্ঞাত ব্যক্তির ফোন এসেছিল। তিনি বলেছিলেন, ‘নিউজগান গরি ভালা ন গরো’। এসব ফোনকল চেক করা যেতে পারে।’ ‘অপহরণের পর ওরা এটাও বলেছিল, ‘আর নিউজ করবি কি না বল?’ ওদের বারবার বলেছি, নিউজ করব না, প্লিজ আমাকে ছেড়ে দেন। তারপরও পিটিয়েছে। চোখে হাত দিতে দেয়নি। ওরা বলাবলি করছিল, ‘এটাকে স্যাম্পল হিসেবে নিয়েছি। মেরে ফেলার দরকার নাই। সাইজ করো।’
সাংবাদিক গোলাম সারওয়ার বলেন, ‘অপহরণ করে নির্মম নির্যাতনের পর আমার বিরুদ্ধে দেয়া হয়েঠে দুটি মানহানি মামলা৷ অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিচার পাওয়া তো দুরের কথা৷ নিজেই হয়ে গেলাম মামলার আসামি। আমি এবং আমার স্ত্রী, সন্তান খুবই মান
তদন্তকারী কর্মকর্তা ধর্মেন্দু দাশ একুশে পত্রিকাকে বলেন, ‘মামলাটিতে তথ্যগত ভুল ছিল। তদন্তে যা পেয়েছি, তাই চূড়ান্ত প্রতিবেদনে দিয়েছি।’








