নিউজটি শেয়ার করুন

সাবেক মেয়র নাসির দেড় হাজার কোটি টাকা দেনা রেখে গেছেন: চসিক প্রশাসক সুজন

সিপ্লাস প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের(চসিক) সাবেক মেয়র আ জ ম নাসির দেড় হাজার কোটি টাকা দেনা রেখে গেছেন বলে জানিয়েছেন চসিক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি বলেছেন, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাকালে যখন সবাই চিকিৎসার জন্য চাতক পাখির মত তাকিয়ে আছে সেই দূর্যোগ মুহুর্তে আমাকে সিটি কর্পোরেশনের দ্বায়িত্ব দিয়েছেন। আমি এসে দেখি শুধু দেনা আর দেনার হিসাব। দেনার হিসাব করতে করতে আমাদের চিত্রটাকে শুন্য করে দিয়েছে।

বুধবার(১৯ আগস্ট) বিকালে নগরভবনের সম্মেলন কক্ষে চসিক স্বাস্থ্য বিভাগের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রশাসক সুজন এসব কথা বলেন।

তিনি সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর প্রশংসিত কাজ গুলো ধংস করা হয়েছে বলে উল্লেখ করে বলেন, মহিউদ্দিন চৌধুরী নগরীতে শতভাগ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকল্পে ভতুর্কি দিয়ে চসিকের আওতায় স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম চালু করেছিলেন। প্রসুতিদের জন্য তিনি বিভিন্ন জায়গায় হাসপাতাল গড়ে তুলে ছিলেন। তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমার যতটুকু আছে তা উজাড় করে চসিকের স্বাস্থ্য সেবার সুনাম ফিরিয়ে আনবো।

তিনি কর্তব্যরত চিকিৎসক ও সংশ্লিস্ট সকলকে আন্তরিকতার সাথে নাগরিক সেবা নিশ্চিতের পরামর্শ দেন।

সুজন মেমন হাসপাতাল সর্ম্পকে বলেন কি মেমন কি হয়ে গেল। রাতে যদি কোন রোগী আসে যারা ফ্রন্ট ডেস্কে থাকেন তারা সিট খালি নাই বলে সামনের ইমপালস হাসপাতাল দেখিয়ে দেয়।

তিনি আরো বলেন,  আমাদের যা কিছু আছে তা ঠিকমত ব্যবহার করতে হবে। না হয় চাঁটগাঁইয়া ভাষায় ‘পোষ্যিন’ দেয় সেরকম প্রতিষ্ঠান গুলোকে অন্য কাউকে দিয়ে দিতে হবে। তবু আমার বাচ্চাটা বেঁচে থাক।

এসময় প্রশাসক কাজে গাফিলতি পরিলক্ষিত হলে কঠোর হওয়ার বার্তা দিয়ে বলেন, চসিক একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান। নগরবাসীর সেবা নিশ্চিত করার এই প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য। তাই ভর্তুকি দিয়ে হলেও নগরবাসীর সেবা অব্যহত রাখতে হবে।

তিনি বলেন, শুধুমাত্র টাকার জন্য যারা এ চিকিৎসা পেশায় নিয়োজিত হন তারা অমানুষ বলে গণ্য হবেন। ডাক্তারদের উপলব্দি করা উচিত যে মানুষ পথ সৃষ্টি করে পথ কিন্তু মানুষ সৃষ্টি করতে পারেনা।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, সচিব আবু শাহেদ চৌধুরী, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার সেলিম আকতার চৌধুরী, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী, ইনচার্জ ডা. নাসিম ভুঁইয়া, ডা. আশিষ মুখার্জি, ডা.ইশরাত জাহান, ডা. তৌহিদুল আনোয়ার খান, জোনাল মেডিকেল অফিসার ডা. মোহাম্মদ ইমাম হোসেন রানা, ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, ডা. তপন কুমার চক্রবর্তী, ডা. হাসান মুরাদ চৌধুরী প্রমূখ।