শাহরুখ সায়েল: মহামরি করোনায় সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান খোলা রাখতে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মানার কথা থাকলেও উপেক্ষিত চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে।
করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় সারাদেশে ১৪ এপ্রিল (বুধবার) থেকে সার্বিক কার্যাবলি ও চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ১৩ দফা নির্দেশনাসহ এ প্রজ্ঞাপন জারি করে। চলমান ‘কঠোর বিধিনিষেধের’ মেয়াদ ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত।
কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেও দেশের রাজস্ব আদায়ের চাকা সচল রাখতে শতভাগ জনবল দিয়ে চলছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজ। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সরকারি বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মানার কথা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না চট্টগ্রাম কাস্টমসে।
সামাজিক দূরত্ব না মেনে হাজারো মানুষ চলাচল করছে কাস্টম হাউজে। নেই সামাজিক দূরত্ব, নেই স্বাস্থবিধি মানার বালাই। কাস্টম হাউজের ভিতরে বাহিরে একই চিত্র।
সরেজমিনে কাস্টম হউজ ঘুরে দেখা যায়, কাস্টম হাউজে ঢুকতেই শ’খানেক লোকের ভিড় ঠেলে ভিতরে ঢুকতে হচ্ছে। ভিতরে ঢুকতেই দেখা মিলে শত শত মানুষ সামাজিক দূরত্ব না মেনেই চলাচল করছে। স্বাস্থ্যবিধিও মানছে না অনেকেই। সবগুলো রুমের সামনে ও ভিতরে একই চিত্র। উপচে পড়া ভিড়। ভিতরে যেমন বাহিরেও তেমন।
বাহিরের স্পিড ট্রেজারী, সোনালী ব্যাংক, সেকশন কাউন্টার গুলোতেও ভিড় করে আছে শতাধিক মানুষ। ভেতরের ও বাহিরের ওয়েটিং রুমেও তিল ধরনের ঠাই নেই। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের সার্বিক এ চিত্র করোনা সংক্রমণ কতটুকু বাড়াবে বা কঠোর বিধিনিষেধ কতটুকু সুফল বয়ে আনবে সে প্রশ্ন উঠে এসেছে।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে সামাজিক দূরত্ব না মানা ও স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করার বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম কাস্টমসের কমিশনার এম ফকরুল আলম সিপ্লাসকে বলেন, আমাদের জায়গা কম কিন্তু কাজ বেশি। আমরা সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতের লক্ষ্যে কয়েকটা সেকশন অডিটরিয়ামে স্থানান্তর করেছি খোলা জায়গায় সরিয়ে নিয়েছি। প্রয়োজন ব্যতিত কাস্টম হাউজে না আসার জন্য অনুরোধ করেছি।
সিএন্ডএফ এজেন্টদের অপ্রয়োজনে কাস্টম হাউজে ভিড় না করার জন্য চিঠি দিয়েছি। সবগুলো গেইট এ প্রবেশের সময় মাস্ক বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তারপরও কাজের চাপ বেশি থাকায় সম্ভব হয়ে উঠছে না। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি।








