নিউজটি শেয়ার করুন

সারাদেশে নৌ চলাচল স্বাভাবিক

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’র কারণে তিনদিন বন্ধ থাকার পর সোমবার (১১ নভেম্বর) সকাল থেকে দেশের সকল নৌরুটে নৌযান চলাচল শুরু হয়েছে।

সকাল ৬টা থেকে দেশের অভ্যন্তরীণ নৌরুটে লঞ্চ চলাচলে বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।

জানা গেছে, ঢাকার সদরঘাট টার্মিনাল থেকে এখন পর্যন্ত চাঁদপুর, বরিশাল, শরীয়তপুর, পটুয়াখালীসহ বেশ কয়েকটি নৌপথে ১৩টি লঞ্চ ছেড়ে গেছে।

ঢাকা নদীবন্দরের নৌযান পরিদর্শক মো. শাহনেওয়াজ বলেন, আবহাওয়া স্বাভাবিক হওয়ায় ঢাকা নদীবন্দর থেকে দক্ষিণাঞ্চলের ৪২টি নৌপথে যান চলাচল শুরু হয়েছে। তবে যাত্রী উপস্থিতি কম ছিল।

কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া নৌরুটে নৌযান চলাচল শুরু হওয়ায় দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে জানিয়ে বিআইডব্লিউটিএর ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আক্তার হোসেন বলেন, ঘুর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাব কেটে যাওয়ায় নৌরুটে নৌযান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের জন্য আর কোনো বিশেষ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক শামসুদ্দিন আহমেদ।

মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর।

চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত এবং কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে চার নম্বর সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদফতরের ৩০ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, খুলনা ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ আরও সামান্য উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে আজ সকাল ৬টায় বাগেরহাট, বরিশাল ও পটুয়াখালী অঞ্চলে গভীর নিম্নচাপ আকারে অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর ও বৃষ্টি ঝরিয়ে ক্রমশ দুর্বল হতে পারে।

গভীর নিম্নচাপের কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে।