করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকানোর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বোয়ালখালীতে শুরু হয়েছে সেনা টহল। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুর থেকে নির্বাহী অফিসার আছিয়া খাতুনের সহযোগিতায় টহল শুরু করে সেনা সদস্যরা। উপস্থিত ছিলেন সহকারি কমিশনার ভূমি মোজাম্মেল হক চৌধুরী এসময় তারা বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় গিয়ে অযথা রাস্তায় অবস্থান না নিতে জনগনের প্রতি আহ্বান জানান এবং ভিড় এড়িয়ে বাসায় ফিরে যেতে মাইকিংও করেন। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে বিদেশ থেকে আগত ব্যক্তিদের হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণ ও আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সহায়তাসহ সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য মাঠে নামেন সেনা সদস্যরা। সেনাবাহিনীর সঙ্গে পুলিশ সদস্যদেরকেও টহলে নামতে দেখা গেছে। সকালে ঘুরে দেখা যায়, ব্যস্ততম উপজেলা দোকানপাট বন্ধ ও অলি গলিগুলো ছিল প্রায় ফাঁকা। ছিল না লোকসমাগম। তবে ওষুধ, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকানপাট, মুদি দোকান, কাঁচাবাজারগুলো খোলা ছিল। সেনা টহলটি উপজেলার গোমদন্ডী ফুলতল, কালুরঘাট, চৌধুরীহাট, ফখিরাখালী, কেরাণিবাজার, শ্রীপুর বুড়া মসজিদ, কানুনগোপাড়া, দাশের দিঘী পাড়, বেঙ্গুরা রেল স্টেশন হয়ে উপজেলায় শেষ হয়না । এতে জনগণের স্বতঃস্ফুর্তভাবে ঘরে থাকাকে ধন্যবাদ জানান তারা। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আছিয়া খাতুন বলেন, সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহযোগীতায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে টহলে জনসাধারনকে সচেতন করার চেষ্টা করছি। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে দোকানপাট বন্ধ, জনসমাগম তেমন নেই বলে ও জানান তিনি সেনা মেজর তানজিল আহমদ বলেন, এ অবস্থায় জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে যেন কেউ বের না হয় সেজন্য বোয়ালখালীবাসির প্রতি অনুরোধ করছি। জনসচেতনতার লক্ষে আমাদের কার্যক্রম অব্যহত থাকবে। চট্টগ্রাম অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সদর)-মোঃ জাহাঙ্গীর বলেন, উপজেলা প্রশাসন,সেনা বাহিনী সহ আমরা একত্রে হয়ে এক ম্যাসেজ নিতে চাই,, এ রোগের যেহেতু কোন প্রতিষেধক নেই, তাই জনসচেতন হতে হবে সবাইকে। প্রথম পর্যায়ে অনুরোধ করলেও পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ারও হুঁশিয়ারি দেন সেনা সদস্যরা। প্রবাসীদের বাড়িতে লালপতাকা ও দেয়ালে স্টিকার লাগিয়ে কোয়ারেন্টাইনের অন্তর্ভুক্ত করে জনসাধারণকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সতর্ক করেছেন প্রশাসন ।
দক্ষিণ চট্টগ্রাম সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে বোয়ালখালীতে শুরু হয়েছে সেনা টহল








