Site icon CPLUSBD.COM

সাহেদকে গ্রেপ্তারের পর উত্তরার এক বাড়িতে অভিযান

সিপ্লাস ডেস্কঃ বিতর্কিত ব্যবসায়ী রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদকে গ্রেপ্তারের পর ঢাকার উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের ২০ নম্বর সড়কের ৬২ নম্বর বাড়ির একটি ফ্ল্যাটে অভিযানে যায় র‌্যাব।

কোভিড-১৯ চিকিৎসার নামে প্রতারণা আর জালিয়াতিতে দেশজুড়ে আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ বুধবার ভোরে সাতক্ষীরা সীমান্তে র‌্যাবের হাতে ধরা পড়ার পর হেলিকপ্টারে করে তাকে ঢাকার পুরাতন বিমানবন্দরে নিয়ে আসা হয়।

হেলিকপ্টারযোগে ঢাকায় আনার পরে সাহেদকে নিয়ে ঢাকার উত্তরার একটি বাড়িতে অভিযান শুরু করেছে র‌্যাব।

কী কারণে সেখানে অভিযান জানতে চাইলে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, “এটা সাহেদের দ্বিতীয় অফিস।”

র‌্যাব কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ফ্ল্যাটের খবর আগে পায়নি । সাহেদকে গ্রেপ্তারের পর তার কাছে এই ফ্ল্যাটের হদিস মেলে।

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে চিকিৎসার নামে প্রতারণা আর জালিয়াতির মামলায় এক সপ্তাহ ধরে পলাতক মোহাম্মদ সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমকে সাতক্ষীরার দেবহাটা সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তারের পর হেলিকপ্টারে তাকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়।

গত ৬ ও ৭ জুলাই উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতাল এবং রিজেন্ট গ্রুপের প্রধান দপ্তরে র‌্যাবের অভিযান চালায় র‌্যাব।

কোভিড-১৯ পরীক্ষার প্রতিবেদন নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ পাওয়ার পর ওই হাসপাতালে অভিযান চালায় র‌্যাব। জানা যায়, ‘কোভিড ডেডিকেটেড’ হাসপাতাল হিসেবে চিকিৎসা দিয়ে আসা এ চিকিৎসালয়ের লাইসেন্সের মেয়াদই পার হয়ে গেছে বহু আগে।

অভিযানে করোনাভাইরাস পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্ট, করোনাভাইরাস চিকিৎসার নামে রোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়সহ নানা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ার পর রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

কোভিড-১৯ পরীক্ষার নামে জালিয়াতির অভিযোগে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা র‌্যাবের মামলায় বলা হয়েছে, ভুয়া প্রতিবেদন দিয়ে প্রায় ছয় হাজার লোকের কাছ থেকে দুই কোটি ১০ লাখ টাকা আদায় করেছে রিজেন্ট। ওই মামলায় সাহেদসহ ১৭ জন আসামি।