সিপ্লাস প্রতিবেদক: সিপ্লাসে সংবাদ প্রকাশের পর চট্টগ্রাম নিউ মার্কেট বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কেটটির তত্ত্বাবধায়ক বডি। রাতে মার্কেটের তত্ত্বাবধায়ক ও সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হাসান মাসুদ সিপ্লাসকে নিউ মার্কেট বন্ধের সিদ্ধান্তর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, গত কয়েকদিনে চট্টগ্রামে করোনা সংক্রামনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় আমরা ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের স্বাস্থ্য ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনায় মার্কেট না খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
উল্লেখ্য নিয়ম মেনে চট্টগ্রামের নিউ মার্কেটের (বিপনী বিতান) মার্চেন্ট ওয়েলফেয়ার গঠন না করায় বর্তমানে সেখানে একজন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করা আছে। যদি গতকালও নিউ মার্কেট ওয়েলফেয়ারের সভাপতি মোহাম্মদ সাগির মার্কেট খোলা রাখা হবে বলে জানিয়েছিলেন।

এর আগে আজ বিকেলে চট্টগ্রামের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মার্কেট ৩১ মে পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিলো। পরবর্তীতে সেই বৈঠকের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে লাকি প্লাজা ও শাহ আমানত সুপার মার্কেট মালিক সমিতিও নিজ নিজ মার্কেট বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয়।

তবে নগরীর সবচেয়ে বড় এবং করোনা সংক্রামনের জন্যে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ তামাকুমন্ডি লেইন, টেরিবাজার ও জহুর হকার্স মার্কেট এই প্রতিবেদন লিখা পর্যন্ত খোলা রাখার পক্ষে রয়েছে।
এছাড়া চকবাজার এলাকার গুলজার টাওয়ার, মতি টাওয়ার ও মতি কমপ্লেক্স এখনো কোন সিদ্ধান্ত জানায়নি৷
তবে গতকাল (৭ মে) তামাকুমন্ডি লেইন বণিক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি সরোয়ার কামাল মার্কেট খোলা রাখার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন৷তবে একাধিক সূত্র জানিয়েছে তামাকুমন্ডি লেইন বণিক সমিতির একজন সাংগঠনিক সম্পাদকের নেতৃত্বে একটি অংশ মার্কেট গুলো খোলা রাখার পক্ষে জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। সেখানের শতাধিক মার্কেটের বেশীর ভাগ দোকানদার ও কর্মচারীরা সাতকানিয়া, লোহাগাড়ার বাসিন্দা হওয়ায় সেখানে করোনা ঝুঁকি ভয়াভহ আকার ধারণ করতে পারে বলে সচেতন মহল মনে করেন।
টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান করোনা সংক্রামন ঝুঁকি বিবেচনা মার্কেট গুলো বন্ধ রাখার ব্যাপারে মত দেন৷ অপরদিকে মধ্য ও নিম্ন আয়ের মানুষের ঈদের কেনাকাটার জন্যে জনপ্রিয় জহুর হকার মার্কেটের সমিতির নেতৃবৃন্দ এখনো বন্ধের কোন স্বিদ্ধান্ত নেয়নি৷ তবে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সমিতির নেতাদের মার্কেট বন্ধ রাখার পরামর্শ দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
নগরীর বব্দর, ইপিজেড ও বন্দরটিলা এলাকার মার্কেট গুলো বন্ধের বিষয়ে কোন ঘোষনা দেয়নি৷ একাধিক সূত্র জানিয়েছে বিপুল সংখ্যক গার্মেন্টস ও বন্দর শ্রমিক অধ্যুষিত বন্দর, পতেঙ্গা এলাকাতে ছোট বড় অন্তত ৫০টি মার্কেট ১০ মে থেকে খোলা রাখার প্রস্তুতি নিচ্ছে।








