আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সমর্থিত ৩২নং আন্দরকিল্লা ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী জহর লাল হাজারী অদ্য শুক্রবার সকাল ১১টায় জেএম সেন হলে সূর্যসেন এর আবক্ষ মূর্তিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বিপ্লবী তারকেশ্বর দস্তিদার স্মৃতি পরিষদের সভাপতি প্রধান শিক্ষক অঞ্জন কান্তি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সিঞ্চন ভৌমিক, অর্থ সম্পাদক তপন ভট্টাচার্য্য, উপদেশষ্টা প্রধান শিক্ষক বিজয় শংকর চৌধুরী, বিপ্লবী প্রধান শিক্ষক সঞ্জীব কুসুম চৌধুরী, বিপ্লবী পূত্র নন্দন কিশোর চৌধুরী, শিক্ষক উত্তম বিশ্বাস, সাহিত্যিক দুলাল মল্লিক, নির্বাচনী প্রচারক বলরাম চক্রবর্ত্তী, মিলন চক্রবর্ত্তী, আশীষ মহাজন, সাগর চক্রবর্ত্তী, বাপ্পী চক্রবর্ত্তী, রাজু দাশগুপ্ত, অলক চক্রবর্ত্তী, নিপু শর্মা।
এসময় বিপ্লবী তারকেশ্বর দস্তিদার স্মৃতি পরিষদের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক অঞ্জন কান্তি চৌধুরী বলেন, সভ্যতার এ যুগে নির্বাচনী প্রচারণায় মানুষ যখন মাজার, মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও কবরস্থান জিয়ারত ও প্রার্থনায় ব্যস্ত ঠিক তখনই জহর লাল হাজারী ছুটে এসেছেন অগ্নিযুগের স্বাধীনতা সংগ্রামী বিপ্লবী মহানায়ক মাস্টারদা সূর্যসেন এর আবক্ষ মূর্তিতে ফুলেল শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদনের জন্য। তাঁর এই আদর্শকে জাতির এই ক্রান্তিকালে সকল রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের অনুসরণ করা উচিত। বিপ্লবীদের স্বার্থক উত্তরসূরী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদেরকে ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র যুদ্ধের মাধ্যমে আমাদেরকে স্বাধীন ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র উপহার দিয়ে যান। আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে এদেশে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য অনুরোধ জানান। বিপ্লব ও মুক্তিযুদ্ধ একই সূত্রে আমাদের জীবনে গাঁথা। তাই আমরা বিপ্লবী ও মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে প্রতিটি মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে হাত জোড় করে বিনয়ের সহিত জহর লাল হাজারীর মতো একজন সৎ, আদর্শবান ও নীতিবান কাউন্সিলরকে মিষ্টি কুমড়া প্রতীকে রায় দিয়ে বিজয়ী করার জন্য আহ্বান জানাবো।
জহর লাল হাজারী বলেন, আমার দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে কাউন্সিলর হিসেবে আপনাদের সেবায় নিয়োজিত আছি। আমি সততা, নিষ্ঠা ও ন্যায়পরায়নতার সহিত কাজ করেছি। কোন ধরণের লোভ আমাকে আকৃষ্ট করতে পারেনি। বাংলাদেশের সকল প্রগতিশীল আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিলাম। আমার রক্ত মাংস, প্রতিটি শিরা-উপশিরা এই জনপদের মানুষের ভালবাসা দিয়ে তৈরি। আমার জীবনের বাকী দিনগুলি অত্র এলাকার জনগণের সেবায় উৎসর্গ করে দিয়ে যেতে চাই। বিপ্লব ও মুক্তিযুদ্ধ দিয়ে আমাদের এই দেশের স্বাধীনতা। তাই আমি বিপ্লবীদের শ্রদ্ধাবনত চিত্তে স্মরণ করতে ছুটে এসেছি। যাদের ঋণ আমরা কখনো শোধ করতে পারবো না। আমি যদি নির্বাচিত হই, আমি এই জনপথকে বিপ্লবী ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তুলবো। পরিশেষে বিপ্লবী তারকেশ্বর স্মৃতি পরিষদের আন্তরিকতায় আমি খুবই কৃতজ্ঞ। তাদের এই ভালবাসা আমি কখনো ভূলতে পারবো না। আপনারা আমার দুর্দিনে আমাকে সাহায্য করতে ছুটে এসেছেন, আগামী ২৯ তারিখ পর্যন্ত সকল মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে মিষ্টি কুমড়া মার্কায় আমাকে ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. রেজাউল করিম চৌধুরীর জন্য নৌকা মার্কায় ভোট চাইবেন এবং আওয়ামী লীগ সমর্থিত সকল কাউন্সিলরদের প্রতিও আপনারা ভোটের জন্য প্রার্থনা করবেন। বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের আওয়ামী লীগ সকরকারকে ভোট দিতে হবে।
সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সিঞ্চন ভৌমিক বলেন, সততা ছাড়া যোগ্যতা মূল্যহীন, যোগ্যতা ছাড়া সততা শক্তিহীন, নেতৃত্ব চাই সততা ও যোগ্যতার সমন্বয়। আমরা পথে নেমেছি জহর লাল হাজারীর পক্ষে জনমানুষের কাছে হাত জোড় করে বিনয়ের সাথে ভোট প্রার্থনা করার জন্য। আমাদের বিশ্বাস জহর লাল হাজারী একজন সততা ও যোগ্যতার সমন্বয়ে তার আপাদমস্তক গঠিত।
তাই সকলকে আগামী ২৯ মার্চ মিষ্টি কুমড়ায় ভোট দিয়ে জহর লাল হাজারীকে নির্বাচিত করার জন্য ৩২নং আন্দরকিল্লা ওয়ার্ডের জনগণের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানান।








