নিউজটি শেয়ার করুন

সেন্ট মার্টিন্সে জেটির বেহাল দশা, ৫০ হাজার মানুষের জীবন-জীবিকা ঝুঁকিতে

সেন্ট মার্টিন্সে জেটির বেহাল দশা
ছবি: সিপ্লাসবিডি.নেট

সিপ্লাস প্রতিবেদক: প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন্সকে বাঁচাতে বিধ্বস্ত জেটিটি অবিলম্বে সংস্কার করতে হবে। না হলে পর্যটনখাতে জড়িত অন্তত ৫০ হাজার লোকের জীবন-জীবিকা ও কর্মসংস্থান ঝুঁকিতে পড়বে। আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে জেটির মেরামত করা না গেলে পর্যটন শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পাশাপাশি সরকার বিপুল রাজস্ব হারাবে বলে আশংকা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

কক্সবাজারে আগত দেশি-বিদেশি পর্যটকদের নজরকাড়া জায়গাগুলোর মধ্যে অন্যতম দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন্স। আর কক্সবাজার এসে সেন্ট মার্টিন্স না গেলে অনেকের কাছে কক্সবাজার বেড়াতে আসাটা অপূর্ণ মনে হয়। এ কারণে প্রতি বছর পর্যটন মৌসুমে লাখ লাখ ভ্রমণপিপাসুরা সেন্টমার্টিন্স ভ্রমণ করে ।

তবে এবার পর্যটক উঠানামার একমাত্র জেটিটি ভেঙে যাওয়ায় সামনের পর্যটন মৌসুমে সেন্ট মার্টিন্সে যাওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে শংকা ও অনিশ্চয়তা।

দ্বীপের স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা বলছেন, সেন্টমার্টিন্সে পর্যটন ব্যবসায়ীদের কষ্ট লাঘবের পাশাপাশি পর্যটকদের ভ্রমণের সুবিধার্তে জেটির দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন।  গেল কয়েকটি বছরে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড়-জ্বলোচ্ছ্বাসের তাণ্ডবে সেন্ট মার্টিন্সের জেটির অনেকাংশ ভেঙে পড়েছে। নষ্ট হয়ে গেছে পল্টুন। সর্বশেষ গত ২৭ মে ঘুর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে জেটিটি আরেক দফা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এমনকি জেটির পাশে ট্রলার ভেড়ানোর অংশ পর্যন্ত ভেঙে গেছে। যে কারণে অনেকটা চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দ্বীপকে ঘিরে পর্যটন ব্যবসায়ীরা দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ করেছেন। তারা আজ দিশেহারা।

কক্সবাজারে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের বড় একটি অংশ কাজ করে সেন্টমার্টিন্স নিয়ে। গত বছর থেকে করোনার কারনে ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়ে অনেকে এই ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ট্যুর অপারেটরস এসোসিয়েশন অব কক্সবাজার (টুয়াক) এর সভাপতি এম রেজাউল করিম।

সেন্টমার্টিন্স  দ্বীপে পর্যটক পারাপারে ৮-১০টি জাহাজ, ২০০-৩০০ বাস-মিনিবাস, শতাধিক মাইক্রোবাস, ২০০ ট্যুর অপারেটর প্রতিষ্ঠান, ৪০০ ট্যুরিস্ট গাইড এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীসহ  ৫০ হাজার মানুষের জীবন-জীবিকা সেন্টমার্টিনকে ঘিরে পরিচালিত হয়।

তাই দ্রুত সময়ে জেটি সংস্কার করতে ইতোমধ্যে কক্সবাজারে সংবাদ সম্মেলন করেছে পদক্ষেপ বাংলাদেশ নামে একটি সংগঠন।

তাদের দাবি, ১৫ অক্টোবরের মধ্যে জেটি সংস্কার না হলে পুরোপুরি অনিশ্চিত হয়ে পড়বে জাহাজসহ সেন্টমার্টিন্স সংশ্লিষ্ট  সব ব্যবসা।

তবে, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিল্লোল বিশ্বাস  জানিয়েছেন, জেটি সংস্কারের জন্য ১ কোটি ৪২ লক্ষ টাকার একটি প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

গেল কয়েক বছরে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড়- জলোচ্ছ্বাসের তাণ্ডবে সেন্টমার্টিন জেটির অনেকাংশ ভেঙে পড়েছে। নষ্ট হয়ে গেছে পল্টুন। সর্বশেষ গত ২৭ মে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে জেটিটি আরেক দফা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

আরো পড়তে পারেন:

 

 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here