সৌদি আরবে নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিয়োগ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ।
এর আগে ফয়সাল বিন ফারহান জার্মানিতে সৌদি রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ইব্রাহীম আল-আসাফের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএর খবরে বলা হয়েছে, আসাফকে পদাবনমন করে প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যাকাণ্ডের দুই মাস পর তিনি আদেল আল-জুবায়েরের স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন।
ফয়সাল ফারহান এমন সময়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন, যখন খাসোগি হত্যার পরবর্তী আন্তর্জাতিক চাপ সামলাতে হচ্ছে দেশটিকে।
১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পর সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক সংকটে পড়েছে সৌদি আরব। যুক্তরাষ্ট্রের ওই হামলায় জড়িত অধিকাংশই সৌদি নাগরিক ছিলেন।
অক্টোবরে খাসোগি হত্যার সময় ৪৫ বছর বয়সী নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াশিংটনে সৌদি দূতাবাসের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেছেন।
পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে ফারহানের জোরালো সম্পর্ক রয়েছে বলে এক টুইটার পোস্টে জানিয়েছেন মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশ্লেষণ সিনজিয়া বিয়ানকো। তিনি বলেন, ফারহানের নেতৃত্ব গতিশীল ও অগ্রসরমূলক। আদেল আল-জুবায়ের ও ইব্রাহীম আল-আসাফের সময় যেটা দেখা গেছে, তিনি সেটা বদলে দিতে পারবেন।
এএফপিকে সিনজিয়া বলেন, যুক্তরাষ্ট্রসহ সৌদি আরবের ঐতিহ্যবাহী মিত্রদের সঙ্গে ফারহানের সম্পর্ক মজবুত।
ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউট ফর নিয়ার এস্ট পলিসির গবেষক এলানা ডেলওজিয়ার বলেন, কেন এই স্থলাভিষিক্তকরণ করা হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে পরিষ্কার নয়। এর আগে আল-জুবায়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। পররাষ্ট্রনীতির দৃশ্যপটে এখনও তিনি সরব রয়েছেন। আসাফের চেয়ে গণমাধ্যমে তার উপস্থিতি প্রবল।








