সিপ্লাস ডেস্ক: ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নের বাতুয়াদি গ্রামে ক্ষিপ্ত স্বামীর এক থাপ্পড়েই অজ্ঞান হন নববধূ। পরে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলেই সেখানেই রবিবার রাতে মারা যান। লাশ রেখে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্বামীকে আটক করে দায়িত্বরত পুলিশ।
রবিবার ( ৬ ডিসেম্বর) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নববধুর শ্বশুড় বাড়ি ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নের বাতুয়াদি গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মো. কাজল মিয়ার ছেলে সজীব মিয়ার (২৪) স্ত্রী। প্রায় ১১ মাস আগে বিয়ে হয় কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের সওদপুর গ্রামের হাতিম মিয়ার মেয়ে মোছাম্মৎ মর্জিনা আক্তারের (২০) সাথে।
জানা যায়, পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় স্ত্রীকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন অত্যাচার করতেন সজিব। এ ঘটনা বাড়িতের জানায় মর্জিনা। কিন্তু পরিবারের লোকজন কোনো ধরনের কর্ণপাত না করে মানিয়ে নেওয়ার জন্য মর্জিনাকে নির্দেশ দেয়। এ অবস্থায় রবিবার বিকেলে স্ত্রীর সাথে ঝগড়া করে সজীব মিয়া উত্তেজিত হয়ে জোরে এক থাপ্পড় মারেন স্ত্রীকে। সাথে সাথে স্ত্রী জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। দীর্ঘ সময়েও জ্ঞান ফিরে না আসায় সজিব স্ত্রীকে নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৮টার দিকে মারা যান তিনি। এ সময় স্বামী সজিব লাশ রেখে পালিয়ে যেতে চাইলে হাসপাতালের দায়িত্বরত পুলিশ তাকে আটক করে।
নান্দাইল থানার ওসি মিজানুর রহমান আকন্দ জানান, খবর পেয়ে হাসপাতালে একজন উপরিদর্শকে পাঠানো হয়। পরে জানা যায় স্বামীর বাড়ি নান্দাইলে হলেও ঘটনাস্থল শ্রীপুর থানায়। তাই সেখানেই মামলা দায়ের হবে।








