সিপ্লাস প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম নগরীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউএসটিসি) প্রধান একাডেমিক ভবনের একাংশ ভেঙে ফেলার কাজ শুরু করেছিল সিডিএ কর্তৃপক্ষ।
এ অভিযানে মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশন স্থগিতাদেশ জারি করেন।
হাইকোর্টের রোল জারি হওয়ার পর কাজ বন্ধ কিনা তা দেখার জন্য বুধবার সরজমিনে ইউএসটিসি গিয়ে দেখা যায় প্রথমে ভাঙ্গার কাজ চলছিল। সকাল ১১টায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ পদাতিক ডিভিশনের ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন বিগ্রেট আদেশপত্র পাওয়ার পর ভাঙার কাজ বন্ধ করে দেয়।
সিডিএ এর অর্থায়নে জলাবদ্ধতার প্রকল্পের কাজ করতে গিয়ে ইউএসটিসির ভবনটির একটি অংশ খালের উপর নির্মিত হয়েছে বলে সিডিএ কতৃর্পক্ষের দাবী। তাই কয়েকদিন ধরে এই ভবনের খালের অংশে নির্মিত স্থাপনা ভাঙ্গার কাজ পরিচালনা করছিলো সিডিএ।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জাতীয় অধ্যাপক (ডা.) নুরুল ইসলাম, সেক্রেটারী জেনারেল, ইসলামিক মেডিকেল মিশন; চেয়ারম্যান, জনসেবা ফাউন্ডেশন ও প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য ইউএসটিসি বরাবরে আরএস দাগ নং ৫৪৪ (অংশ), ৫৪৫ (অংশ) ও ৫৪৬ (অংশ)-ভুক্ত ১.০০ (এক) একর ভূমির উপর হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট স্থাপনের নিমিত্তে ডিসেম্বর ১৩, ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে ৯৯ বছরের জন্য লীজ প্রদান করেন এবং যথাযথভাবে উক্ত সমতল-ভূমি হস্তান্তর করেন।
সিডিএ কর্তৃক অনুমোদন-প্রাপ্ত হয়ে ইউএসটিসি কর্তৃপক্ষ সিডিএ-এর অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী ইউএসটিসি ১৬তলা প্রধান একাডেমিক ভবন নির্মাণ ক’রে বিগত প্রায় ১৫ বছর ধরে একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সিডিএ কর্তৃক অনুমোদিত এই ভবন ভেঙ্গে ফেলার কাজ শুরু করায় ও অব্যাহত রাখায় পুরো ভবন ধসে পড়ার সমুহ সম্ভাবনা দেখা দেয়। যার কারণে একাডেমিক ভবনে স্থাপিত অত্যাধূনিক মূল্যবান গবেষণা যন্ত্রপাতি, ল্যাবসমূহ, ক্লাসরুম, সেমিনার লাইব্রেরী, শিক্ষকদের অফিস কক্ষসহ অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হয় এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন সংকটের মুখে পতিত হয়েছে।
এই উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ করার দাবিতে ইউএসটিসি’র সর্বস্তরের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষার্থীসহ এক মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করে।








