হাটহাজারী প্রতিনিধি: এক যুগ ধরে ছিলেন হোমিও চিকিৎসক। গত পাঁচ-ছয় বছর ধরে সেজেছেন স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত চিকিৎসা বিজ্ঞানের উচ্চ ডিগ্রীধারী ডাক্তার।
দেশে করোনা প্রকোপ শুরু হওয়ার পর নিজের বাসায় চালু করলেন করোনা রোগীদের জন্য দুই শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল।
অবশেষে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ধরা পড়লেন তিনি।
তিনি হাটহাজারী পৌরসভার মেখল রোডের নাসরিন ভবনে নিচতলার ভাড়াটিয়া মোহাম্মদ সোলাইমান।
নিজের পরিচিতিতে যোগ করেছেন ‘অধ্যাপক’, ‘এমবিবিএস’, ‘এমফিল’, ‘পিএইডি’সহ নিউরোলজি ও মেডিসিনের ওপর অনেক ডিগ্রি।
বৃহস্পতিবার ২৩ এপ্রিল হাটহাজারী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিনের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ধরা পড়েন এই ভুয়া ডাক্তার।
ইউএনও রুহুল আমিন জানান, “কথিত ডাক্তার সোলায়মান দীর্ঘদিন ধরে এ অপচিকিৎসা দিয়ে আসছে এমন খবর ছিল আমাদের কাছে”।
তিনি আরও জানান, “অপচিকিৎসাতেই তিনি থেমে থাকেননি, গত দেড়মাস ধরে তিনি নিজের বাসায় করোনা রোগীর ক্লিনিকও চালু করেছেন। অভিযানে গিয়ে আমরা করোনা উপসর্গ থাকা দুই জন রোগীর ভর্তি দেখে অবাক হই”।
উল্লেখ্য, এর আগে বুধবার (২২ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে স্থানীয়দের হাতে এই ভুয়া চিকিৎসক ধরা পড়লেই তিনি বড় বড় নেতাদের নাম বিক্রি করে তাদেরকে হুমকি-ধমকি দেন। পরে খবর পেয়ে স্থানীয় মেম্বার গেলে তাকেও এক নেতার সাথে ফোনে কথা বলিয়ে দেন। স্থানীয়দের কথায় সে কর্ণপাত না করলে তারা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে বিষয়টি অবহিত করেন।








