সিপ্লাস প্রতিবেদক: হাটাহাজারীতে থানাসহ বিভি্ন্ন স্থাপনায় হামলা ও আগুন দেয়ার ঘটনায় আর চার নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
হেফাজতের তাণ্ডবের ভিডিও ফুটেজ দেখে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশের দাবী। এরআগে গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় এক নেতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
শনিবার (১০ এপ্রিল) তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে হাটাহাজারী থানা পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
তবে হাটহাজারী থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘তদন্তের স্বার্থে আমি কোনও বিষয় প্রকাশ করতে পারব না।’
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— ফটিকছড়ির বাগানবাজারের বাসিন্দা হাটহাজারী সদরের আজিজিয়া টেইলার্স এর মালিক এবং হাটহাজারী পৌরসভা হেফাজতের সহ সভাপতি কামরুল ইসলাম (৪৪)। একই প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী নরসিংদীর শিবপুরের বাসিন্দা মারুফ (২৮)। হাটহাজারী পৌরসভার চায়ের দোকানদার মো. হাসান (২৫) এবং ফতেপুরের বাসিন্দা উপজেলা সদরের কাপড়ের দোকানদার মোজাম্মেল হক ( ২৩)। এদের সকলকে ভিডিও ফুটেজ দেখে শনাক্তের পর গ্রেপ্তার করা হয় বলে তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, ২৬ মার্চ হাটাহাজারীতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে হাটহাজারী থানা ভবনে হামলা, ভূমি অফিসে ভাঙচুর, ডাকবাংলোয় আগুন, পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ৩১ মার্চ ছয়টি মামলা হয়। সেখানে ২শ থেকে ২৫শ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতা করে গত শুক্রবার জুমার নামাজের পর ঢাকার বায়তুল মোকাররম মসজিদ এলাকায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও সরকারি দলের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এর প্রতিবাদে হাটহাজারীতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা থানায় হামলা চালালে পুলিশ আত্মরক্ষার্থে গুলি ছোড়ে। হাটহাজারীতে চারজন নিহত হন। নিহতের জেরে বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা হাটহাজারী থানা, ডাকবাংলো, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে হামলা চালান। তাঁরা হাটহাজারী-খাগড়াছড়ি সড়কের ওপর দেয়াল তৈরি করে তিনদিন অবরোধ করে রাখেন।








