Site icon CPLUSBD.COM

হাটহাজারীর ইউএনও’র অভিযান: দুই গাড়ি চোরাই কাঠ জব্দ

হাটহাজারী প্রতিনিধি:বনাঞ্চল নিধনে এক শ্রেনীর অসাধু ব্যবসায়ী, গাছ খেকোরা পাহাড় থেকে গাছ কেটে উপজেলার বিভিন্ন ইট ভাটায় বিক্রি করছে। গভীর রাত হলেই গাছ পাচারে ব্যস্ত সময় পার করে এ বনদস্যুরা। যার কারনে হারাচ্ছে পাহাড়ের ভারসাম্য। হুমকির মুখে পড়ছে পরিবেশ।

উত্তর চট্টগ্রামের বন বিভাগের কর্মকর্তারা নিরব ভূমিকায় থাকলেও কিন্তু থেমে নেই উপজেলার নির্বাহী অফিসার রুহুল আমিন।

শুক্রবার(৪ডিসেম্বর) গোপনে ওৎ পেতে থেকে গভীর রাতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ফরহাদাবাদ ইউপি এলাকার উদালিয়া পাহাড় থেকে চাঁদের গাড়ি করে কাঠ পাচারকালে কাঠসহ ২টি চাঁদের গাড়ি জব্দ করেন। এসময় গাড়ি চালকসহ অন্যান্যরা পালিয়ে যায়।

জব্দকৃত কাঠের মুল্য প্রায় অর্ধ লক্ষ টাকা।

এর আগেও ইউএনও একাধিক অভিযান পরিচালনা করে কাঠ জব্দ করলেও ধরা ছোঁয়ার বাইরে বনাঞ্চল ধ্বংসের মুল হোতারা।

এদিকে সরেজমিনে কয়েকটি পাহাড়ি এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, শুকনো মৌসুমে বিভিন্ন ইট ভাটার জন্য কাঠের প্রয়োজন হয়। ইটভাটার কাট সরবরাহ করতে একটি সিন্ডিকেট ফরহাদাবাদ উদালিয়া, সরকারহাট,চারিয়া,পৌরসভার আদর্শগ্রাম,সন্দীপ পাড়া এলাকার পশ্চিমে সরকারী পাহাড় থেকে রাতের আঁধারে গাছ কেটে উজাড় করে দিচ্ছে পাহাড়।

বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তির পরিচয় দিয়ে, বনবিভাগের অসাধু কিছু কর্মকর্তা কর্মচারীদের যোগসাজশে বনাঞ্চল উজাড় করে ধ্বংসের মহড়া চলেছে। এ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতেও পারছেনা।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুহুল আমিন সিপ্লাসকে বলেন, শুকনো মৌসুমে অসাধু বনদস্যুরা গভীর রাতে গাছ কেটে জ্বালানি কাঠ হিসেবে বিভিন্ন ইট ভাটায় পাচার করে। বড় বড় কাঠগুলো করাতকলে কৌশলে পৌছে দেয়। গভীর রাতে অভিযান পরিচালনা করে কাঠ সহ ২টি গাড়ি জব্দ করি। আইনানুগত ব্যবস্থা গ্রহনের প্রস্তুতি চলছে। নজরদারিও বাড়াবে বলে তিনি জানান।