রাউজান প্রতিনিধি: দক্ষিণ এশিয়ার একামত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র ও মৎস্য অভয়ারণ্য হালদা নদীতে অভিযান পরিচালনা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত। ৮ জুন (সোমবার) বিকাল ৪টা হতে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জোনায়েদ কবির সোহাগের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে বালুবাহী একটি একটি ইঞ্জিন চালিত নৌকা ছিদ্র করে ধ্বংস ডুবিয়ে করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাউজান সিনিয়র উপজেলা মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন, আনসার-ভিডিপি’র রাউজান অফিসার ইনচার্জ তারেক মাহমুদ।
জানা যায়, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে হালদা নদীর সর্তার ঘাট থেকে নয়াহাট পর্যন্ত অভিযান পরিচালনাকালে নাঙ্গলমোড়ায় নদীখেকোদের ফেলে যাওয়া একটি ইঞ্জিন চালিত বালুবাহী নৌকা আটক করা হয়। পরে সেখানেই নৌকাটি ছিদ্র করে নদীতে ডুবিয়ে ধ্বংস করা হয়।
উল্লেখ্য গত ২৮ মে পরিচালিত অভিযানে সর্তার ঘাট এলাকায় একটি ইঞ্জন চালিত বালুবাহী নৌকা পুড়িয়ে ডুবিয়ে ধ্বংস করা হয়েছিল।
জানা যায়, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে হালদা নদীর সর্তার ঘাট থেকে নয়াহাট পর্যন্ত অভিযান পরিচালনাকালে নাঙ্গলমোড়ায় নদীখেকোদের ফেলে যাওয়া একটি ইঞ্জিন চালিত বালুবাহী নৌকা আটক করা হয়। পরে সেখানেই নৌকাটি ছিদ্র করে নদীতে ডুবিয়ে ধ্বংস করা হয়।
উল্লেখ্য গত ২৮ মে পরিচালিত অভিযানে সর্তার ঘাট এলাকায় একটি ইঞ্জন চালিত বালুবাহী নৌকা পুড়িয়ে ডুবিয়ে ধ্বংস করা হয়েছিল।

মৎস্য অভয়ারণ্য হালদায় ইঞ্জিন চালিত নৌকা চলাচল ও ড্রেজার দ্বারা বালু উত্তোলন নিষিদ্ধ থাকলেও নদী খেকোরা অবৈধ উপায়ে প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে বালু উত্তোলন করে চলেছেন। এই ইঞ্জিন চালিত নৌকার পাখার আঘাতে মারা পড়ছেন মা মাছ ও বিপন্ন প্রজাতির ডলফিন।
রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জোনায়েদ কবির সোহাগ বলেন, ‘হালদার মা মাছ, ডলফিন তথা জীব-বৈচিত্র্য রক্ষার জন্য নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছি। একটি ইঞ্জিন চালিত নৌকা ধ্বংস করা হয়েছে। হালদাতে বৈধ কোন বালু মহাল নাই, তো সে কারণে কেউ যদি হালদা থেকে বালু তোলে ধরে নেওয়া হয় যে সে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে। একই সাথে বাংলাদেশের অমূল্য সম্পদ হিসেবে ইঞ্জিন চালিত নৌকা চলাচল নিষিদ্ধ, তাই নৌকা ধ্বংস করা হয়েছে। হালদা নদীতে অবৈধ তৎপরতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’








