Site icon CPLUSBD.COM

১১৯ বছরেও মেলেনি সুফিয়া বেগমের বয়স্ক ভাতা

মহিন উদ্দীন: শেষ জীবনেও কি দেখে যেতে পারবেন সরকারি বয়স্ক ভাতা কিংবা স্বপ্নের মুজিব বর্ষের উপহার? বৃদ্ধা সুফিয়ার ১১৯ বছরেও মেলেনি বয়স্ক ভাতা। অপরিচিত লোক দেখলেই বৃদ্ধা সুফিয়া মনে করেন তাকে সহায়তা করতে সরকারি লোক এসেছে! আসলেই না। হ্যাঁ এমন অসহায় মানুষের খোঁজ মেলে খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার তবলছড়ি ইউনিয়নের অন্তর্গত কুমিল্লা টিলা গ্রামের মৃত মহরম আলীর স্ত্রী বৃদ্ধা সুফিয়া বেগম(১১৯)

স্বামী অনেক আগেই মারা গেছেন । সম্পত্তি বলতে তেমন কিছু নেই। স্বামী রেখে গেছেন ছনের একটি কুঁড়েঘর। সেই কুঁড়েঘরেই ৪০ বছর ধরে বসবাস করছেন এই বৃদ্ধা মহিলা । পাশে আছেন তার একটি মাত্র মেয়ে ।রোদ বৃষ্টি ঝড়ে মা-মেয়ে দুজনেই খোলা আকাশের দিকে তাকিয়ে আল্লাহর নিকট ফরিয়াদ করেন কখন আল্লাহ তাদের সুন্দর একটি থাকার ব্যবস্থা করে দিবেন। কখন তাদের অসহায়ত্বের দুঃখ দূর হবে।

জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে প্রশাসনের কেউ কি অজ পাড়াগাঁয়ের অসহায় বৃদ্ধা মহিলার করুণ কান্না কি শুনতে পারেনা।

বৃদ্ধা সুফিয়ার মেয়ে মনোয়ারা বেগম বলেন, দিনমজুরি করে আমার সংসার চালাই।পাশাপাশি মায়ের দেখাশুনাও করতে হয়। তারপরও আমি যখন যা পাই তাই করি। আমরা গরিব অসহায় বলে সরকারি-বেসরকারি কোন সহায়তা পায় না। বৃদ্ধা মায়ের চিকিৎসা সেবার জন্য মেম্বার ও চেয়ারম্যানের কাছে বার বার ঘুরেও কোন সহায়তা পায় না।

মুজিব বর্ষের স্বপ্নের ঠিকানা সেমি পাকা ঘর কিংবা বয়স্ক ভাতায় শেষ জীবনের আশা অসহায় সুফিয়া বেগম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও প্রশাসনের কাছে এই মিনতি বৃদ্ধা সুফিয়া বেগমের।