যুক্তরাষ্ট্রে গেল সপ্তাহে বেকার হয়েছেন আরও ৪৪ লাখ মার্কিনী। দেশটিতে বেকারের সংখ্যা পৌঁছেছে ২ কোটি ৬০ লাখে। পরিস্থিতি কবে স্থিতিশীল হবে, সে বিষয় নিয়ে চিন্তিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে লকডাউন শিথিল হলে নতুন করে কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে বলে আশাবাদী তিনি।
এদিকে করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন পরীক্ষামূলকভাবে মানবদেহে প্রয়োগের পর কিছুটা চাঙা হয়েছে মার্কিন শেয়ার বাজার।
করোনা ভাইরাস মহামারিতে বিশ্ব ১৯৩০ সালের চেয়েও ভয়াবহ মন্দা দেখবে-এমনই পূর্বাভাস দিচ্ছেন অর্থনীতিবিদরা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ফুটে উঠতে শুরু করেছে বাস্তব চিত্র। লকডাউনে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি সপ্তাহে বেকার হচ্ছেন লাখ লাখ মানুষ। মার্চ থেকে এপ্রিলের মধ্যে দেশটিতে বেকার হয়েছেন আড়াই কোটির ওপরে মানুষ। যা যুক্তরাষ্ট্রের মোট কর্মক্ষম ব্যক্তির ১৫ শতাংশ। বেকার ভাতা পেলেও দিনযাপন করতে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, অর্থনীতিবিদরা কিছুই জানে না। দেশের অর্থনীতি লকডাউন তুলে নিলেই স্বাভাবিক হতে শুরু করবে। মানুষ এখন কাজে ফিরতে চায়। তবে যতদিন কোনা ভাইরাস থেকে নিরাপদ না হব ততোদিন হিসেব করেই চলতে হবে।
বেকার আর ব্যবসায়ীদের সাহায্যে বিভিন্ন প্রণোদনা দিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। এদিকে ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগের পর চাঙা হয়েছে মার্কিন শেয়ার বাজার।
পুঁজি বাজার বিশ্লেষক বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বেকারত্বকে এ মুহূর্তে সংকটই বলা চলে। এখনো বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যেই বাড়ছে বেকার সংখ্যা। তবে ভ্যাক্সিন প্রয়োগের খবরে কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে ওয়ালস্ট্রিটের শেয়ার বাজারে।
করোনা ভাইরাস সংকটে ২০০৮-২০০৯ সালের অর্থনৈতিক সংকটের পর থেকে চাকরি পাওয়া সবাই বেকার হয়ে পড়ছেন। লকডাউন তুলে নিলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও অনেক সময় লাগবে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা।








