আমিরাত প্রতিনিধি: মুক্তিযোদ্ধা ও রেমিট্যান্স যোদ্ধা চট্টগ্রাম হাটহাজারীর নুরুল আলম নুরুর ৪২ বছরের প্রবাস জীবণ অবসান করে ২৬ আগস্ট দিনগত রাতে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করছেন্।
দেশ স্বাধীন করা এ মুক্তিযোদ্ধা অর্থনৈতিক স্বাধীনতার জন্য দীর্ঘ ৪২ বছর আমিরাতের বিভিন্ন প্রদেশে কর্মরত ছিলেন। দেশের স্বাধীনতার জন্য যেমন জানবাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন তেমনিভাবে অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য চার দশক ধরে আমিরাতে করেছন বিভিন্ন পেশার কাজ।
বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আলম নুরু, পিতা মৃত আমিনুর রহমান, প্রযত্নে আমিনুর রহমান ফোরম্যানের বাড়ি, ছিপাতলী, চট্টগ্রাম হাটহাজারীর অধিবাসী।
তিনি ২ মেয়ের জনক। তাঁর ১ম মেয়ে মাস্টার্স করেছেন, বিবাহিতা ও তার ১ ছেলে আছে। অপর মেয়েটি চবি’র এমবিএ পরীক্ষার্থী। তিনি যুদ্ধ করেছেন ১নং সেক্টরের আওতাধীন হাটহাজারী অঞ্চলে। দেশ স্বাধীন করার পর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আলম নুরু অর্থনৈতিক স্বাধীনতার জন্য দীর্ঘ ৪২ বছর আমিরাতের বিভিন্ন প্রদেশে বিভিন্ন পেশায় কর্মরত ছিলেন।
সর্বশেষ তিনি আবুধাবির মোছাফ্ফাতে ড্রাইভারিং পেশায় ছিলেন।
তিনি ধন্যবাদ জানান বঙ্গবন্ধু তনয়া জননেত্রী শেখ হাসিনাকে। যাঁর গতিশীল নেতৃত্বে দেশকে এগিয়ে গেছে অনেকটা আমিরাতের আনাচে কানাচে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সবার মাঝে পরিচিত করার জন্য তিনি ধন্যবাদ জানান সামাজিক সংগটন প্রজন্ম বঙ্গবন্ধু আমিরাতের সভাপতি এস এম রফিকুল ইসলামকে।
তিনিই তাঁকেসহ আমিরাতে অবস্হানরত ১৪ জন মুক্তিযোদ্ধাকে খুঁজে খুঁজে সম্মানিত ও পরিচিত করেছেন।
তিনি আরো ধন্যবাদ জানান আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের মান্যবর রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবু জাফরকে, তাঁকে সম্মানিত করার জন্য। ১নং সেক্টরে যুদ্ধ করা এ বীর মুক্তিযোদ্ধা নিতান্তই সাদাসিধা।
সদা হাস্যোজ্জ্বল মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আলম প্রসংগে প্রজন্ম বঙ্গবন্ধু সংযুক্ত আরব আমিরাতের সভাপতি এস এম রফিকুল ইসলাম, আবুধাবির বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনসহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ তার ভুয়সী প্রশংসা করেন।








